ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শিক্ষা ব্যবস্থায় নোট-গাইডের স্থান নেই, সহায়ক বই থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে নোট-গাইডের আর প্রয়োজন হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য সহযোগী বইয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নোট-গাইড বইয়ের অস্তিত্বকে তিনি কখনো সমর্থন করেন না, তবে বই প্রকাশ বন্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের গাইড বই থেকে শিক্ষকরা প্রশ্ন করেন এমন অভিযোগও শোনা যায়, যা একটি গুরুতর সমস্যা।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকারের সময় শিক্ষকদের মাধ্যমে গাইড বই বিতরণের ঘটনা পত্রপত্রিকায় এসেছিল এবং হাজার হাজার কোটি টাকা অর্জনের কথাও শোনা গিয়েছিল, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের যদি নোট-গাইড বই প্রেসক্রাইব করার প্রবণতা থাকে এবং প্রকাশকরা যদি সেটিকে উৎসাহিত করে, তবে এখানে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন। তিনি আশ্বাস দেন যে, সহায়ক এবং সহযোগী বই থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তা কিনতে পারবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই ক্ষেত্রে মানসম্মত প্রতিযোগিতা থাকা উচিত, কিন্তু এখানে যে কারচুপি হচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা তার দায়িত্ব। তিনি প্রকাশকদের প্রতি আহ্বান জানান যে, বই ছাপানোর ক্ষেত্রে মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করা উচিত এবং মুদ্রণ শিল্পে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, “আপনারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বইয়ের ব্যবসা করুন।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শোককে শক্তিতে রূপান্তর: কানাডার ফুটবল ইতিহাসের অমর নায়ক ইউস্তাকিও

শিক্ষা ব্যবস্থায় নোট-গাইডের স্থান নেই, সহায়ক বই থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে নোট-গাইডের আর প্রয়োজন হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য সহযোগী বইয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নোট-গাইড বইয়ের অস্তিত্বকে তিনি কখনো সমর্থন করেন না, তবে বই প্রকাশ বন্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের গাইড বই থেকে শিক্ষকরা প্রশ্ন করেন এমন অভিযোগও শোনা যায়, যা একটি গুরুতর সমস্যা।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকারের সময় শিক্ষকদের মাধ্যমে গাইড বই বিতরণের ঘটনা পত্রপত্রিকায় এসেছিল এবং হাজার হাজার কোটি টাকা অর্জনের কথাও শোনা গিয়েছিল, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের যদি নোট-গাইড বই প্রেসক্রাইব করার প্রবণতা থাকে এবং প্রকাশকরা যদি সেটিকে উৎসাহিত করে, তবে এখানে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন। তিনি আশ্বাস দেন যে, সহায়ক এবং সহযোগী বই থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তা কিনতে পারবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই ক্ষেত্রে মানসম্মত প্রতিযোগিতা থাকা উচিত, কিন্তু এখানে যে কারচুপি হচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা তার দায়িত্ব। তিনি প্রকাশকদের প্রতি আহ্বান জানান যে, বই ছাপানোর ক্ষেত্রে মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করা উচিত এবং মুদ্রণ শিল্পে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, “আপনারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বইয়ের ব্যবসা করুন।”