ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোকে ১৬ দফা নির্দেশনা

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে দেশের সব হাসপাতালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই নির্দেশনার আওতায় দেশের সব সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষ, পরীক্ষাগার, ব্লাড ব্যাংক, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেবাসমূহ সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনাবলীতে বলা হয়েছে, জরুরি বিভাগে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ছুটি মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে ঈদের ছুটিকালে নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয় করা যাবে। হাসপাতালের অন্তঃবিভাগ ইউনিট প্রধানরা প্রতিদিন তাদের বিভাগীয় কার্যক্রম তদারক করবেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ল্যাব, এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে এবং উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অন কল সেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ছুটির আগেই পর্যাপ্ত ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, কেমিক্যাল রি-এজেন্ট, সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুদ ও তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্টোর কিপার বা ছুটি চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফকে নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগামপত্র দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, ছুটি চলাকালে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা ছুটি কালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করবেন এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রোন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ফুজাইরা বন্দরে তেল কার্যক্রম স্বাভাবিক, বিশ্ববাজারে স্বস্তি

ঈদের ছুটিতে নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোকে ১৬ দফা নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৯:০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে দেশের সব হাসপাতালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ১৬ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই নির্দেশনার আওতায় দেশের সব সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষ, পরীক্ষাগার, ব্লাড ব্যাংক, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেবাসমূহ সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনাবলীতে বলা হয়েছে, জরুরি বিভাগে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ছুটি মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে ঈদের ছুটিকালে নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয় করা যাবে। হাসপাতালের অন্তঃবিভাগ ইউনিট প্রধানরা প্রতিদিন তাদের বিভাগীয় কার্যক্রম তদারক করবেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ল্যাব, এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে এবং উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অন কল সেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ছুটির আগেই পর্যাপ্ত ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, কেমিক্যাল রি-এজেন্ট, সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুদ ও তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্টোর কিপার বা ছুটি চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফকে নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগামপত্র দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, ছুটি চলাকালে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা ছুটি কালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করবেন এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করবেন।