ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র লাইলাতুল কদর: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের মহিমান্বিত রজনী

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আগামীকাল (সোমবার, ১৬ মার্চ) দিবাগত রাতের পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) দেওয়া বাণীতে তারা এই শুভেচ্ছা জানান।

লাইলাতুল কদর ইসলাম ধর্মে অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় একটি রাত। পবিত্র কুরআনুল কারিম রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা এই রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন। এই রজনী মানবজাতির জন্য বয়ে আনে কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের অবারিত বার্তা।

এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়। রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির জাগরণের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে।

নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন, আমরা যেন সবাই এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। তারা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেছেন, তিনি যেন পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত সবার ওপর বর্ষিত করেন এবং আমাদের দেশ ও জাতিকে অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন। পবিত্র লাইলাতুল কদরের মহিমা আমাদের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনুক— এই কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রোন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ফুজাইরা বন্দরে তেল কার্যক্রম স্বাভাবিক, বিশ্ববাজারে স্বস্তি

পবিত্র লাইলাতুল কদর: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের মহিমান্বিত রজনী

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আগামীকাল (সোমবার, ১৬ মার্চ) দিবাগত রাতের পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) দেওয়া বাণীতে তারা এই শুভেচ্ছা জানান।

লাইলাতুল কদর ইসলাম ধর্মে অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় একটি রাত। পবিত্র কুরআনুল কারিম রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা এই রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন। এই রজনী মানবজাতির জন্য বয়ে আনে কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের অবারিত বার্তা।

এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়। রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির জাগরণের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে।

নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন, আমরা যেন সবাই এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। তারা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেছেন, তিনি যেন পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত সবার ওপর বর্ষিত করেন এবং আমাদের দেশ ও জাতিকে অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন। পবিত্র লাইলাতুল কদরের মহিমা আমাদের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনুক— এই কামনা করা হয়েছে।