ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলা ১৫তম দিনে গড়িয়েছে, যার তীব্র পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ওপর কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে তেহরান। সম্প্রতি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী একটি মার্কিন জাহাজে হামলার খবরও পাওয়া গেছে। এর ফলে ইরান প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অনেকটাই বন্ধ করে দিয়েছে, যদিও তুরস্ক ও ভারতের জাহাজ ইরানের অনুমতিতে চলাচল করতে পারছে। এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দখল নিতে বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আহ্বানে তেমন একটা সাড়া মিলবে না।
আলজাজিরার বরাত দিয়ে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি মনে করেন, ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে কোনো দেশ রাজি হবে এমন সম্ভাবনা কম।
অধ্যাপক এলমাসরির মতে, যুদ্ধজাহাজগুলো খুব ধীরগতিতে চলে, ঘণ্টায় প্রায় ২৫ কিলোমিটার বেগে। এগুলি বিশাল আকারের এবং একটি অত্যন্ত সরু জলপথে চলাচল করে, ফলে সহজেই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। তিনি বলেন, ইরান চাইলে সহজেই এসব জাহাজে হামলা চালাতে পারে, কারণ ইরানের ব্যবহৃত শাহেদ ড্রোন-এর পাল্লা প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
হরমুজ প্রণালি ইরানের মূল ভূখণ্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় ইরান চাইলে যেকোনো সময় ওই প্রণালীতে হামলা চালিয়ে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এলমাসরি পরিস্থিতিটিকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই উচ্চ ঝুঁকির কারণেই অনেক বীমা কোম্পানি জাহাজ বা নাবিকদের জন্য বীমা দিতে অনাগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















