ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার মুখরিত হওয়ার প্রত্যাশা: অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের চাপ

পবিত্র রমজান মাস শেষ হয়ে আসছে খুশির ঈদুল ফিতর। এই ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটন রাজধানীখ্যাত কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানানোর জোর প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এবারের ঈদে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প জমজমাট থাকবে এবং সৈকতসহ অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকে মুখরিত হবে। ঈদের ছুটি ঘিরে ইতোমধ্যেই শহর ও আশপাশের আবাসিক হোটেলগুলোতে অগ্রিম রুম বুকিংয়ের হিড়িক পড়েছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, ঈদের লম্বা ছুটি কাটাতে এবার ৫ থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে কক্সবাজারে। তারকা মানের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে ঈদের দিন থেকে টানা সাতদিন পর্যন্ত কোনো রুম খালি নেই। মাঝারি মানের হোটেলগুলোতে কিছু রুম খালি থাকলেও, ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার আশায় ‘রুম ফাঁকা নেই’ বলে দাবি করছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের প্রথম তিন দিন কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস এবং রিসোর্ট প্রায় পুরোপুরি অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।

আসন্ন ঈদে বিপুলসংখ্যক পর্যটককে ভালো সেবা দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব সেক্টরেই কাজ চলছে। কোথাও চলছে রঙের কাজ, কোথাও মেরামতের কাজ, আবার কোথাও চলছে আলোকসজ্জার কাজ। ব্যবসায়ীদের মতে, কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা যেন তাদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হতে পারেন, সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে।

কক্সবাজারের মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল হিলভিউ-এর ম্যানেজিং পার্টনার রহমত উল্লাহ জানান, তাদের হোটেলে আগামী ২২, ২৩ ও ২৪ মার্চের জন্য অগ্রিম বুকিং রয়েছে। বর্তমানে মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। তারকা মানের আবাসিক হোটেল কক্স টুডে-এর এজিএম আবু তালেব বলেন, তাদের হোটেলে দুই শতাধিক রুম রয়েছে এবং রমজানের এই সময়ে হোটেলকে ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে, যা ঈদের আগেই শেষ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ঈদের প্রথম তিনদিনের জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে আছে, তবে অধিকাংশ পর্যটকই এখনো বুকিং কনফার্ম করেননি। ঈদের আগে আগে হয়তো শতভাগ বুকিং ও কনফার্ম হয়ে যেতে পারে।

আরেকটি তারকা মানের হোটেল সায়মান রিসোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোলার আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বর্তমানে তাদের হোটেল রেনোভেশনের কাজ চলছে, যা ঈদের আগেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তিনি নিশ্চিত করেন, তাদের হোটেলে ঈদের পর টানা পাঁচ-ছয়দিন সম্পূর্ণ অগ্রিম বুকিং রয়েছে। তিনি আশা করছেন, এবারের ঈদের ছুটিতে অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে মার্কিন নাগরিকদের প্রবল অনীহা: নতুন জরিপ

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার মুখরিত হওয়ার প্রত্যাশা: অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের চাপ

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস শেষ হয়ে আসছে খুশির ঈদুল ফিতর। এই ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটন রাজধানীখ্যাত কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানানোর জোর প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এবারের ঈদে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প জমজমাট থাকবে এবং সৈকতসহ অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকে মুখরিত হবে। ঈদের ছুটি ঘিরে ইতোমধ্যেই শহর ও আশপাশের আবাসিক হোটেলগুলোতে অগ্রিম রুম বুকিংয়ের হিড়িক পড়েছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, ঈদের লম্বা ছুটি কাটাতে এবার ৫ থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে কক্সবাজারে। তারকা মানের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে ঈদের দিন থেকে টানা সাতদিন পর্যন্ত কোনো রুম খালি নেই। মাঝারি মানের হোটেলগুলোতে কিছু রুম খালি থাকলেও, ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার আশায় ‘রুম ফাঁকা নেই’ বলে দাবি করছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের প্রথম তিন দিন কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস এবং রিসোর্ট প্রায় পুরোপুরি অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।

আসন্ন ঈদে বিপুলসংখ্যক পর্যটককে ভালো সেবা দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব সেক্টরেই কাজ চলছে। কোথাও চলছে রঙের কাজ, কোথাও মেরামতের কাজ, আবার কোথাও চলছে আলোকসজ্জার কাজ। ব্যবসায়ীদের মতে, কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা যেন তাদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হতে পারেন, সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে।

কক্সবাজারের মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল হিলভিউ-এর ম্যানেজিং পার্টনার রহমত উল্লাহ জানান, তাদের হোটেলে আগামী ২২, ২৩ ও ২৪ মার্চের জন্য অগ্রিম বুকিং রয়েছে। বর্তমানে মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। তারকা মানের আবাসিক হোটেল কক্স টুডে-এর এজিএম আবু তালেব বলেন, তাদের হোটেলে দুই শতাধিক রুম রয়েছে এবং রমজানের এই সময়ে হোটেলকে ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে, যা ঈদের আগেই শেষ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ঈদের প্রথম তিনদিনের জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে আছে, তবে অধিকাংশ পর্যটকই এখনো বুকিং কনফার্ম করেননি। ঈদের আগে আগে হয়তো শতভাগ বুকিং ও কনফার্ম হয়ে যেতে পারে।

আরেকটি তারকা মানের হোটেল সায়মান রিসোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোলার আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বর্তমানে তাদের হোটেল রেনোভেশনের কাজ চলছে, যা ঈদের আগেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তিনি নিশ্চিত করেন, তাদের হোটেলে ঈদের পর টানা পাঁচ-ছয়দিন সম্পূর্ণ অগ্রিম বুকিং রয়েছে। তিনি আশা করছেন, এবারের ঈদের ছুটিতে অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন।