ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মার্কিন ব্যাংকে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধ: দাবি ইরানের

উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ব্যাংকের শাখায় চালানো হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির মুখপাত্র সর্দার নাঈনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুটি ইরানি ব্যাংকে হামলার জবাবেই মার্কিন ব্যাংক শাখাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের হামলা আবারও চালায়, তবে এই অঞ্চলে থাকা সব মার্কিন ব্যাংক শাখাই ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এরই মধ্যে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টার (ডিআইএফসি) এলাকায় পরপর দুটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর সেখানে অবস্থিত বড় মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো—যেমন সিটিগ্রুপ ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড—তাদের কার্যালয় খালি করে দেয় এবং কর্মীদের জন্য বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থা চালু করে।

একইভাবে, এইচএসবিসি কাতারে তাদের শাখা বন্ধ করে দিয়েছে এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য কার্যালয়ের কর্মীদের জন্যও দূরবর্তীভাবে কাজ করার নীতি গ্রহণ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্ষণাবেক্ষণ কাজে চট্টগ্রাম ও নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে শনিবার

মার্কিন ব্যাংকে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধ: দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ব্যাংকের শাখায় চালানো হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির মুখপাত্র সর্দার নাঈনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুটি ইরানি ব্যাংকে হামলার জবাবেই মার্কিন ব্যাংক শাখাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের হামলা আবারও চালায়, তবে এই অঞ্চলে থাকা সব মার্কিন ব্যাংক শাখাই ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এরই মধ্যে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টার (ডিআইএফসি) এলাকায় পরপর দুটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর সেখানে অবস্থিত বড় মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো—যেমন সিটিগ্রুপ ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড—তাদের কার্যালয় খালি করে দেয় এবং কর্মীদের জন্য বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থা চালু করে।

একইভাবে, এইচএসবিসি কাতারে তাদের শাখা বন্ধ করে দিয়েছে এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য কার্যালয়ের কর্মীদের জন্যও দূরবর্তীভাবে কাজ করার নীতি গ্রহণ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।