শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমান দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমের যে তোষামুদে চরিত্র ছিল, তা আজও পরিবর্তিত হয়নি। এর পাশাপাশি, দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে এখনো ইসলামোফোবিয়া সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, তার সম্পাদিত প্রকাশনা বাঙালি মুসলমানদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে চলেছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে জানান, তার প্রতিষ্ঠান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করে না এবং অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। মানবাধিকার, জনগণের স্বার্থ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে তার প্রকাশনা সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটিরও বেশি মুসলমান বর্তমানে সংকটের মধ্যে রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। এই সংকট থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের রাজনীতিতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে তাদের দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারা দেশ ও জাতির স্বার্থে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
ফিলিস্তিনে গত তিন বছর ধরে চলা নির্বিচার গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি মুসলমানরা বীরত্বের সাথে লড়ছে, কিন্তু বিশ্ব সম্প্রদায় নীরব। একইসাথে, ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি ইরানের প্রতি সক্রিয় সমর্থন জানানোর আহ্বান জানান।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন একটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 






















