ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

খার্গ দ্বীপে ৯০টির বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, তেল অবকাঠামো অক্ষত

ইরানের খার্গ দ্বীপে চালানো হামলাকে ‘বৃহৎ পরিসরের নিখুঁত হামলা’ বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, ওই হামলায় নৌ-মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্রের বাঙ্কারসহ ৯০টিরও বেশি ইরানি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও দাবি করেছে যে, খার্গ দ্বীপে তাদের হামলায় ৯২টি ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তবে, হামলার সময় দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে বলেও সেন্টকমের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, এক ইরানি কর্মকর্তা মার্কিন দাবির বিপরীতে জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং সেখানে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।

খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেশটির সিংহভাগ তেল এই দ্বীপ থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়ে থাকে, যা ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াবের নতুন সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত কমিটি

খার্গ দ্বীপে ৯০টির বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, তেল অবকাঠামো অক্ষত

আপডেট সময় : ০৯:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের খার্গ দ্বীপে চালানো হামলাকে ‘বৃহৎ পরিসরের নিখুঁত হামলা’ বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, ওই হামলায় নৌ-মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্রের বাঙ্কারসহ ৯০টিরও বেশি ইরানি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও দাবি করেছে যে, খার্গ দ্বীপে তাদের হামলায় ৯২টি ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তবে, হামলার সময় দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে বলেও সেন্টকমের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, এক ইরানি কর্মকর্তা মার্কিন দাবির বিপরীতে জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং সেখানে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।

খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেশটির সিংহভাগ তেল এই দ্বীপ থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়ে থাকে, যা ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।