ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

শহীদ হাদি হত্যায় জড়িতদের পালাতে সাহায্যকারী ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামের এক ব্যক্তিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে হাদি হত্যা মামলার মূল দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ।

এসটিএফের তথ্য অনুযায়ী, ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পারাপারের কাজ করে আসছেন। হাদির খুনের পর বাংলাদেশে পুলিশের চাপ বাড়তে থাকায় তিনি ওই সীমান্ত দিয়েই ভারতে পালিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তিনি ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে ফয়সালরা গ্রেপ্তার হওয়ায় তার ওপর চাপ আরও বাড়ে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছর পর চালু টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য, রফতানি হলো আলু

শহীদ হাদি হত্যায় জড়িতদের পালাতে সাহায্যকারী ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামের এক ব্যক্তিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে হাদি হত্যা মামলার মূল দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ।

এসটিএফের তথ্য অনুযায়ী, ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পারাপারের কাজ করে আসছেন। হাদির খুনের পর বাংলাদেশে পুলিশের চাপ বাড়তে থাকায় তিনি ওই সীমান্ত দিয়েই ভারতে পালিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তিনি ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে ফয়সালরা গ্রেপ্তার হওয়ায় তার ওপর চাপ আরও বাড়ে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।