ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক কৃষিপণ্য মেলায় বাংলাদেশের অভিষেক, রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন দিগন্তের উন্মোচন

চীনের বাণিজ্যিক রাজধানী সাংহাইয়ে আগামী ১৭ থেকে ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৬তম চায়না ইন্টারন্যাশনাল এগ্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড ক্রপ প্রোটেকশন এক্সিবিশন (সিএসি)। আন্তর্জাতিক এই কৃষিপণ্য মেলায় এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, যা দেশের কৃষি রপ্তানি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি (এনএসি) তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। কোম্পানিটির উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বালাইনাশক, গ্রোথ রেগুলেটর, সার এবং ডব্লিউডিজি ফর্মুলেশনের পণ্য। সাংহাইয়ের ন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৫০টি দেশ থেকে উদ্যোক্তারা নতুন কৃষিপণ্য, প্রযুক্তি এবং টেকসই সমাধানের খোঁজে অংশগ্রহণ করছেন।

মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস-চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিতে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, অন্য কোম্পানিগুলো এগিয়ে আসলে ইপিবিও তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানি শুরু হলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে নতুন বৈচিত্র্য যুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এনএসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নীতি সহায়তা পেলে ওষুধ শিল্পের মতো এগ্রো শিল্পকেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের মধ্যে আমদানির পরিবর্তে রপ্তানিমুখী এবং প্রায় শতভাগ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দেশের কৃষি খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছর পর চালু টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য, রফতানি হলো আলু

আন্তর্জাতিক কৃষিপণ্য মেলায় বাংলাদেশের অভিষেক, রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন দিগন্তের উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

চীনের বাণিজ্যিক রাজধানী সাংহাইয়ে আগামী ১৭ থেকে ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৬তম চায়না ইন্টারন্যাশনাল এগ্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড ক্রপ প্রোটেকশন এক্সিবিশন (সিএসি)। আন্তর্জাতিক এই কৃষিপণ্য মেলায় এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, যা দেশের কৃষি রপ্তানি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি (এনএসি) তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। কোম্পানিটির উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বালাইনাশক, গ্রোথ রেগুলেটর, সার এবং ডব্লিউডিজি ফর্মুলেশনের পণ্য। সাংহাইয়ের ন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৫০টি দেশ থেকে উদ্যোক্তারা নতুন কৃষিপণ্য, প্রযুক্তি এবং টেকসই সমাধানের খোঁজে অংশগ্রহণ করছেন।

মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস-চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিতে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, অন্য কোম্পানিগুলো এগিয়ে আসলে ইপিবিও তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানি শুরু হলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে নতুন বৈচিত্র্য যুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এনএসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নীতি সহায়তা পেলে ওষুধ শিল্পের মতো এগ্রো শিল্পকেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের মধ্যে আমদানির পরিবর্তে রপ্তানিমুখী এবং প্রায় শতভাগ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দেশের কৃষি খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।