ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইমাম ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও যাজকদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কার্যক্রমের সূচনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মানীর অর্থ তুলে দেন।

একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের পাশাপাশি মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের এই সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদের ইমামরা ৫ হাজার, মুয়াজ্জিনরা ৩ হাজার এবং খাদেমরা ২ হাজার টাকা করে পাবেন। একইভাবে মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতদের জন্যও নির্দিষ্ট অংকের সম্মানী বরাদ্দ করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর সেবা নিশ্চিত করতে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট সংখ্যক উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে নিখোঁজের দুই দিন পর খোয়াই নদী থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

ইমাম ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও যাজকদের রাষ্ট্রীয় সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কার্যক্রমের সূচনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মানীর অর্থ তুলে দেন।

একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের পাশাপাশি মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের এই সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদের ইমামরা ৫ হাজার, মুয়াজ্জিনরা ৩ হাজার এবং খাদেমরা ২ হাজার টাকা করে পাবেন। একইভাবে মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতদের জন্যও নির্দিষ্ট অংকের সম্মানী বরাদ্দ করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর সেবা নিশ্চিত করতে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট সংখ্যক উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।