নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়গুলোর কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য মাত্র তিন দিন সময় দেওয়ায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি ও চাপের সৃষ্টি হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচি, আগামী দুই অর্থবছরের পরিকল্পনা এবং পাঁচ বছরের বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করতে গিয়ে অনেক মন্ত্রণালয়ই হিমশিম খাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বেশ কিছু মন্ত্রণালয় তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নির্বাচনী ইশতেহারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাস্তবায়নের জন্য যে ধরনের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের প্রয়োজন, তা এই অল্প সময়ে সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। দিনরাত কাজ করেও অনেক বিভাগ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি। নৌপরিবহন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ তাদের অধীনস্থ সংস্থাগুলো থেকে সময়মতো তথ্য না পাওয়ায় অসম্পূর্ণ প্রতিবেদন জমা দিতে বাধ্য হয়েছে। তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের মতো কয়েকটি দপ্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের পরিকল্পনা পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পরিকল্পনায় আরও সময় ও গভীর পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























