আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে দেশের নৌপথগুলোতে। এই বাড়তি চাপের সুযোগ নিতে একশ্রেণির অসাধু লঞ্চ মালিক ফিটনেসবিহীন ও জরাজীর্ণ নৌযানগুলো নামমাত্র মেরামত করে যাত্রী পরিবহনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সদরঘাটের ওপারে কেরানীগঞ্জের ডকইয়ার্ডগুলোতে এখন পুরোনো লঞ্চকে নতুন রূপ দেওয়ার তোড়জোড় চলছে।
বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী চর কালীগঞ্জ ও কোন্ডা এলাকার ডকইয়ার্ডগুলোতে দিনরাত চলছে টুংটাং শব্দ। শ্রমিকরা কোথাও মরিচা ধরা লোহার পাতে রঙের প্রলেপ দিচ্ছেন, আবার কোথাও জোড়াতালি দিয়ে কাঠামো ঠিক করার চেষ্টা করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত ও ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চগুলোকেও ঘষামাজা করে আকর্ষণীয় করার চেষ্টা চলছে, যাতে সাধারণ যাত্রীরা এর অভ্যন্তরীণ জরাজীর্ণ দশা বুঝতে না পারেন।
ডকইয়ার্ডের শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, ঈদের আগে মালিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত কাজ শেষ করার প্রবল চাপ থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কারিগরি ত্রুটিগুলো স্থায়ীভাবে সমাধান না করেই কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য বাড়ানো হয়। ফিটনেস সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং যাত্রী আকর্ষণে এই কৃত্রিম সাজসজ্জাই এখন লঞ্চ মালিকদের প্রধান কৌশলে পরিণত হয়েছে, যা নৌপথে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
রিপোর্টারের নাম 
























