ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায়। ক্ষমতায় আসার আগে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এবং বিদেশি যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমানে একের পর এক সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন তিনি। জনমত জরিপ অনুযায়ী, অধিকাংশ আমেরিকান এই মুহূর্তে ইরানের সাথে কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পক্ষে নন এবং তারা দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় কোনো সামরিক হুমকি হিসেবেও বিবেচনা করছেন না।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক পাল্টা হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার মতো দ্রুত সাফল্যের যে প্রত্যাশা ট্রাম্প করেছিলেন, ইরানের ক্ষেত্রে তা দৃশ্যমান হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়বে আসন্ন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও তা অত্যন্ত সামান্য ব্যবধানে টিকে আছে। নির্বাচনে এই নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।
এমনকি ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি নিয়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যদি সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে, তবে প্রেসিডেন্টের অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সিনেটের এক-তৃতীয়াংশ আসনে অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনই মূলত নির্ধারণ করবে ট্রাম্পের ক্ষমতার ভবিষ্যৎ এবং তার দলের রাজনৈতিক ভাগ্য।
রিপোর্টারের নাম 

























