মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ. আহমেদ আজম খান বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম মুক্তিযোদ্ধা হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বারবারই দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে এনেছেন এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবন দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামেই অতিবাহিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত শেষে তিনি এটাই বলতে চান যে, তাঁদের কর্মী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তাঁরা যেন তাঁদের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও সততার মাধ্যমে সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছেন, সেই যাত্রায় তাঁরা সহযাত্রী হিসেবে নিজেদের মন্ত্রণালয়গুলো সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে চান।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের চ্যালেঞ্জগুলো তিনি অবগত আছেন। গত ১৮ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং রাজাকারদের তালিকায়ও অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা স্থান পেয়েছেন। এই বিষয়গুলো মন্ত্রণালয় খোলার পর খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি জানান, দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি মন্ত্রণালয়ে বসবেন এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। এই কাজের জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























