ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতের নীরবতা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা তাদের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ভারতের আদালত তাদের ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এই পরিস্থিতিতে দুই আসামিকে কীভাবে বাংলাদেশে ফেরত আনা যাবে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়। ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে দুটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানো হবে কি না, অথবা তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অনুমতি দেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।

রণধীর জয়সওয়াল কেবল জানান যে, এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে তাঁর কিছু বলার নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতের নীরবতা

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা তাদের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ভারতের আদালত তাদের ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এই পরিস্থিতিতে দুই আসামিকে কীভাবে বাংলাদেশে ফেরত আনা যাবে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়। ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে দুটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানো হবে কি না, অথবা তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অনুমতি দেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।

রণধীর জয়সওয়াল কেবল জানান যে, এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে তাঁর কিছু বলার নেই।