ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল: জাপানের সঙ্গে আলোচনায় আশাবাদী সরকার

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি দ্রুত চালু করার লক্ষ্যে জাপান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আশাবাদী বাংলাদেশ সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) গতকাল শুক্রবার এক উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, আলোচনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং জাপান ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর ব্যাপারে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পুনরায় আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য ছিল উভয়পক্ষের জন্য সুবিধাজনক একটি সমাধান খুঁজে বের করা, যাতে টার্মিনালটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করা যায়।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিমান প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম। জাপানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স তাকাহাশি নাওকি এবং জাপানের মিনিস্ট্রি অফ ল্যান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ট্যুরিজম-এর সহকারী ভাইস মিনিস্টার রিয়েকো নাকায়ামা সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আলোচনায় মূলত বিমানবন্দরে যাত্রীদের ওঠানামার ফি (এমবার্কেশন ফি), আয়-বন্টন এবং টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা বা অন্যান্য সুবিধা চালুর জন্য অগ্রিম ফি (আপফ্রন্ট ফি)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত এই আলোচনাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে জানান যে, শীঘ্রই একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষই এমন একটি ব্যবস্থার সন্ধান করছে যা বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক হবে এবং পূর্বের চুক্তির কিছু ঘাটতি পূরণ করবে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা চুক্তিতে নির্দিষ্ট চার্জ এবং কার্যকরী বিষয় নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল, যা সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ ঢাকার আবহাওয়া: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল: জাপানের সঙ্গে আলোচনায় আশাবাদী সরকার

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি দ্রুত চালু করার লক্ষ্যে জাপান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আশাবাদী বাংলাদেশ সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) গতকাল শুক্রবার এক উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, আলোচনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং জাপান ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর ব্যাপারে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পুনরায় আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য ছিল উভয়পক্ষের জন্য সুবিধাজনক একটি সমাধান খুঁজে বের করা, যাতে টার্মিনালটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করা যায়।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিমান প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম। জাপানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স তাকাহাশি নাওকি এবং জাপানের মিনিস্ট্রি অফ ল্যান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ট্যুরিজম-এর সহকারী ভাইস মিনিস্টার রিয়েকো নাকায়ামা সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আলোচনায় মূলত বিমানবন্দরে যাত্রীদের ওঠানামার ফি (এমবার্কেশন ফি), আয়-বন্টন এবং টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা বা অন্যান্য সুবিধা চালুর জন্য অগ্রিম ফি (আপফ্রন্ট ফি)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত এই আলোচনাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে জানান যে, শীঘ্রই একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষই এমন একটি ব্যবস্থার সন্ধান করছে যা বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক হবে এবং পূর্বের চুক্তির কিছু ঘাটতি পূরণ করবে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা চুক্তিতে নির্দিষ্ট চার্জ এবং কার্যকরী বিষয় নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল, যা সংশোধনের চেষ্টা চলছে।