কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজশাহী শাখার নেতাকর্মীরা রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে আবারও আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মহানগরীর একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে শপথ গ্রহণ করেন, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ইফতার মাহফিলে আওয়ামী লীগের রাজশাহী মহানগর ও জেলা শাখার কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত নেতাকর্মীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং রাজশাহীর সাবেক সিটি মেয়র ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ কারাবন্দি অন্য নেতাদের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করছেন। তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন এবং অনুষ্ঠান শেষে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘদিন আড়ালে থাকা আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা রাজশাহীতে সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় সূত্রমতে, মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা সম্প্রতি মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শামসুজ্জামান আওয়াল সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়েছেন। ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তারা রাজশাহী জেলা ও মহানগরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক যোগাযোগ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। দেশের বাইরে অবস্থানরত কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গেও তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন পলাতক নেতাও রাজশাহীতে ফিরে এসে সংগঠনের কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























