ভোলা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে তার নির্বাচনী এলাকা, বিশেষ করে তজুমদ্দিন ও লালমোহন অঞ্চলে আনন্দের বন্যা বইছে। এর আগে তিনি সরকারের অধীনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার তার স্পিকার হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। অনেকেই এটিকে মেজর হাফিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পিকারের এই পদ মেজর হাফিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি এ নিয়ে মোট সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে পাট, পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্রীড়াঙ্গনেও তার অবদান স্মরণীয়; বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে তিনি জাতীয় পর্যায়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন।
সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের নাম প্রস্তাব করেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানান খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। পরবর্তীতে সংসদের সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিষয়টি সংসদের সামনে উপস্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। যোগ্য ব্যক্তি তার যোগ্য আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।’ তিনি এই নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। লালমোহন উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মেজর হাফিজের সাদামাটা জীবনযাপনের প্রশংসা করে বলেন, ‘তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এই পুরস্কার প্রাপ্য ছিল।’
রিপোর্টারের নাম 
























