ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্বের দায়িত্ব পাওয়ায় কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে ঘিরে পুরো কুমিল্লায় আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশ-বিদেশে থাকা অনেকেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠাচ্ছেন, যা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে স্পিকারের আসন খালি রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সূচিত এই অধিবেশনে বেলা সোয়া ১১টার দিকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণ করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম অধিবেশনে সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তাব করেন। সরকারি দলের আরেক সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রস্তাব সমর্থন করেন। বিরোধী দলীয় উপনেতা এবং জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরও প্রস্তাবটিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
সাধারণত নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন বিদায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে শুরু হয় এবং তাঁদের তত্ত্বাবধানেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। তবে এবারের অধিবেশনে এই প্রচলিত নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা গেছে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হওয়ায় দাউদকান্দি-মেঘনাসহ পুরো কুমিল্লায় আনন্দের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনাকে তারা দাউদকান্দি–মেঘনা তথা কুমিল্লার জন্য এক বিশেষ গৌরবময় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























