ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, বিকল্প হিসেবে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম আলোচনায়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটি টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। এই পরিস্থিতিতে ইরান যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে তাদের শূন্যস্থান পূরণে কোন দল খেলবে তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—যৌথভাবে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে ইরানকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এতে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি ইরান। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ ডোনিয়ামাল জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অবস্থায় নেই তারা।

যদি শেষ পর্যন্ত ইরান অংশ না নেয়, তবে এই শূন্যস্থান পূরণের দায়িত্ব ফিফার। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাদেশের দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়, সেই মহাদেশ থেকেই বিকল্প দল নির্বাচন করা হয়। ফলে এশিয়া থেকেই নতুন দল নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এই আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে দুটি দেশের নাম—ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যে গ্রুপ থেকে কোনো দল সরে দাঁড়ায়, সেই গ্রুপের রানার-আপ অথবা সংশ্লিষ্ট মহাদেশে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংধারী দলকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এই হিসেবে, বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ না হলেও এশিয়ায় র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্ভাবনা বেশ জোরালো। অন্যদিকে, ইরাকও আলোচনায় রয়েছে। চলতি মাসে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে বলিভিয়া অথবা সুরিনাম। ফিফা চাইলে সরাসরি ইরাককে বিশ্বকাপে জায়গা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে প্লে-অফে ইরাকের বদলে খেলতে হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, বিকল্প হিসেবে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম আলোচনায়

আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটি টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। এই পরিস্থিতিতে ইরান যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে তাদের শূন্যস্থান পূরণে কোন দল খেলবে তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—যৌথভাবে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে ইরানকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এতে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি ইরান। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ ডোনিয়ামাল জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অবস্থায় নেই তারা।

যদি শেষ পর্যন্ত ইরান অংশ না নেয়, তবে এই শূন্যস্থান পূরণের দায়িত্ব ফিফার। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাদেশের দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়, সেই মহাদেশ থেকেই বিকল্প দল নির্বাচন করা হয়। ফলে এশিয়া থেকেই নতুন দল নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এই আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে দুটি দেশের নাম—ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, যে গ্রুপ থেকে কোনো দল সরে দাঁড়ায়, সেই গ্রুপের রানার-আপ অথবা সংশ্লিষ্ট মহাদেশে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংধারী দলকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এই হিসেবে, বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ না হলেও এশিয়ায় র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্ভাবনা বেশ জোরালো। অন্যদিকে, ইরাকও আলোচনায় রয়েছে। চলতি মাসে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে বলিভিয়া অথবা সুরিনাম। ফিফা চাইলে সরাসরি ইরাককে বিশ্বকাপে জায়গা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে প্লে-অফে ইরাকের বদলে খেলতে হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে।