বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম দেশের সংসদ পেলেন ভোলার একজন সন্তানকে স্পিকার হিসেবে। ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ভোলাজুড়ে বইছে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের বন্যা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর এই ঘটনাকে ভোলার মানুষের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ভোলার কেউই জাতীয় সংসদের স্পিকার হওয়ার মতো গৌরব অর্জন করতে পারেননি। একজন স্বচ্ছ, দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, ভোলাসহ বাংলাদেশের মানুষ তার সংসদ পরিচালনায় উপকৃত হবে।”
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রাইসুল আলম নবনির্বাচিত স্পিকারের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “আমরা প্রথমে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি যে এ ধরনের একজন বলিষ্ঠ রাজনীতিবিদকে স্পিকার নির্বাচিত করা হয়েছে। ভোলার মানুষ এবং ভোলার সমস্যা-সম্ভাবনা সবকিছুই তার মাধ্যমে সমাধান হবে এটাই আমরা কামনা করি। পাশাপাশি, ভোলার বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের স্পিকারই ভোলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি ভোলার রাজনীতির নেতৃত্ব দেবেন, এটিও আমরা প্রত্যাশা করি।”
এদিকে, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) জাতীয় সংসদের স্পিকার হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলার পক্ষ থেকেও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। অভিনন্দন বার্তায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হারুনুর রশিদ বলেন, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের নিরপেক্ষ রাজনৈতিক ভূমিকা ও সংসদ পরিচালনার ক্ষেত্রে পুরো বাংলাদেশের মানুষ উপকৃত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। পাশাপাশি, ভোলার ২০ লক্ষ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে তিনি তার অবস্থান থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা বিজেপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন ও সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহও মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় দলীয়ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার নেতৃত্বে ভোলায় রাজনীতিতে সহ-অবস্থান বজায় থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 






















