ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হুঁশিয়ারি: ইয়েমেন ও ইরাকের বাহিনী প্রস্তুত, মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চলবে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম টেলিভিশন ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানান, ইরান লড়াই চালিয়ে যাবে এবং শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এই ভাষণে খামেনি ঘোষণা করেন, ইয়েমেন ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসলামি বিপ্লবকে সমর্থন করে এবং তেহরানের নির্দেশনা পেলেই তারা তাদের অভিযান শুরু করবে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে। একইভাবে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও ইসলামি বিপ্লবে সহায়তা করতে আগ্রহী।

মোজতবা খামেনি আরও বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বিশ্বাসী। তবে এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানি বাহিনী কেবল মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করছে এবং এই অভিযান চলবে। তার ভাষায়, এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত, অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।

ভাষণের শুরুতে তিনি ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। খামেনি উল্লেখ করেন, দেশ যখন আক্রমণের শিকার হয়েছিল, তখন ইরানের সামরিক বাহিনীই দেশকে পরাধীনতা বা বিভক্তির হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি আরও বলেন, সাহসী যোদ্ধারা কঠিন সময়েও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের ভূমিকা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়া সৈকতে পড়ে আছে বিশালাকার মৃত তিমি, পচনে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হুঁশিয়ারি: ইয়েমেন ও ইরাকের বাহিনী প্রস্তুত, মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চলবে

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম টেলিভিশন ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানান, ইরান লড়াই চালিয়ে যাবে এবং শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এই ভাষণে খামেনি ঘোষণা করেন, ইয়েমেন ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসলামি বিপ্লবকে সমর্থন করে এবং তেহরানের নির্দেশনা পেলেই তারা তাদের অভিযান শুরু করবে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে। একইভাবে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও ইসলামি বিপ্লবে সহায়তা করতে আগ্রহী।

মোজতবা খামেনি আরও বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বিশ্বাসী। তবে এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানি বাহিনী কেবল মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করছে এবং এই অভিযান চলবে। তার ভাষায়, এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত, অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।

ভাষণের শুরুতে তিনি ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। খামেনি উল্লেখ করেন, দেশ যখন আক্রমণের শিকার হয়েছিল, তখন ইরানের সামরিক বাহিনীই দেশকে পরাধীনতা বা বিভক্তির হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি আরও বলেন, সাহসী যোদ্ধারা কঠিন সময়েও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের ভূমিকা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।