ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি সংকটের শঙ্কা কাটছে: চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করল ১৬ জাহাজ

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ। গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চের মধ্যে এসব জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ১১টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৫টি জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে কাতার থেকে তিনটি বড় এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’ প্রায় ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে আসে। গত ১২ মার্চ আসা ‘আল গালায়েলে’ থাকা ২৬ হাজার টনের বেশি এলএনজি বর্তমানে ভাসমান স্টোরেজ ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে। পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা ১৯ হাজার টনেরও বেশি এলপিজি খালাস শেষ হয়েছে এবং আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার লাইনে রয়েছে।

এলএনজি ও এলপিজির পাশাপাশি শিল্প খাতের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েল, ডিজেল ও বেজ অয়েলের বিশাল চালানও বন্দরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) হিসাব মতে, প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি দেশে এসেছে। যদিও হরমুজ প্রণালির অস্থিরতায় আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন ও বিমা খরচ কিছুটা বেড়েছে, তবে বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির এই ধারা সচল থাকায় বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে নিখোঁজের দুই দিন পর খোয়াই নদী থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

জ্বালানি সংকটের শঙ্কা কাটছে: চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করল ১৬ জাহাজ

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ। গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চের মধ্যে এসব জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ১১টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৫টি জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে কাতার থেকে তিনটি বড় এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’ প্রায় ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে আসে। গত ১২ মার্চ আসা ‘আল গালায়েলে’ থাকা ২৬ হাজার টনের বেশি এলএনজি বর্তমানে ভাসমান স্টোরেজ ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে। পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা ১৯ হাজার টনেরও বেশি এলপিজি খালাস শেষ হয়েছে এবং আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার লাইনে রয়েছে।

এলএনজি ও এলপিজির পাশাপাশি শিল্প খাতের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েল, ডিজেল ও বেজ অয়েলের বিশাল চালানও বন্দরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) হিসাব মতে, প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি দেশে এসেছে। যদিও হরমুজ প্রণালির অস্থিরতায় আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন ও বিমা খরচ কিছুটা বেড়েছে, তবে বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির এই ধারা সচল থাকায় বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।