ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন নাকচ, আইনি জটিলতায় প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতি মামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন মঞ্জুরের সুপারিশ করেনি দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের ‘ক্ষমা বিভাগ’। এই সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুকে নিজ দেশে এক কঠিন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

বুধবার বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদনের বিষয়ে তাদের আইনি অবস্থানসংবলিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে হেরিটেজ মন্ত্রী এলিয়াহুর কাছে পাঠানো হয়েছে। বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়াটি তদারকির দায়িত্ব দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনটি পরবর্তীতে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের কাছে পাঠানো হবে, যিনি শেষ পর্যন্ত ক্ষমা দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন বর্তমান আইনি শর্ত পূরণ করেনি। কারণ তার বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি এবং তিনি এখনো দোষী সাব্যস্ত হননি। এর পাশাপাশি, তিনি তার আবেদনে কোনো অপরাধ স্বীকার করেননি বা অনুতাপও প্রকাশ করেননি।

ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালত এর আগে রায় দিয়েছিল যে, বিশেষ পরিস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেও ক্ষমা দেওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই অভিযোগ স্বীকার করতে হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করার জন্য প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট হার্জোগ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনো বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই নিজস্ব বিবেচনায় এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, ঘুষ, জালিয়াতি ও আস্থাভঙ্গের অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ২০২০ সাল থেকে বিচার প্রক্রিয়া চলছে, যা ইসরায়েলি রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংসদ অধিবেশন: অতিথিদের প্রবেশ ও পার্কিং ব্যবস্থাপনায় ডিএমপির নির্দেশনা

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন নাকচ, আইনি জটিলতায় প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতি মামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন মঞ্জুরের সুপারিশ করেনি দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের ‘ক্ষমা বিভাগ’। এই সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুকে নিজ দেশে এক কঠিন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

বুধবার বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদনের বিষয়ে তাদের আইনি অবস্থানসংবলিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে হেরিটেজ মন্ত্রী এলিয়াহুর কাছে পাঠানো হয়েছে। বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়াটি তদারকির দায়িত্ব দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনটি পরবর্তীতে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের কাছে পাঠানো হবে, যিনি শেষ পর্যন্ত ক্ষমা দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর ক্ষমা আবেদন বর্তমান আইনি শর্ত পূরণ করেনি। কারণ তার বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি এবং তিনি এখনো দোষী সাব্যস্ত হননি। এর পাশাপাশি, তিনি তার আবেদনে কোনো অপরাধ স্বীকার করেননি বা অনুতাপও প্রকাশ করেননি।

ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালত এর আগে রায় দিয়েছিল যে, বিশেষ পরিস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেও ক্ষমা দেওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই অভিযোগ স্বীকার করতে হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করার জন্য প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট হার্জোগ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনো বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই নিজস্ব বিবেচনায় এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, ঘুষ, জালিয়াতি ও আস্থাভঙ্গের অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ২০২০ সাল থেকে বিচার প্রক্রিয়া চলছে, যা ইসরায়েলি রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।