ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কারো অধীনে নয়, নিজস্ব নীতিতে চলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, বাংলাদেশ এখন আর কারো অধীনে থাকবে না, বরং নিজস্ব নীতি ও ইচ্ছায় পরিচালিত হবে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম হলে বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অন্য একটি দেশের কাছে জিম্মি ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এটিই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি বলে তিনি মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।

পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, জাতীয় স্বার্থ এবং মর্যাদা—এগুলোই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামল ছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এক সোনালি অধ্যায়, যেখানে এই নীতিগুলোই প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। সেই সময়ে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছিলেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশ আবার সেই গৌরবময় অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে চারজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূলের বিদায়ে ১৫ বছরের ‘জটা’ বিসর্জন দিলেন বিজেপি সমর্থক বানেশ্বর

বাংলাদেশ কারো অধীনে নয়, নিজস্ব নীতিতে চলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, বাংলাদেশ এখন আর কারো অধীনে থাকবে না, বরং নিজস্ব নীতি ও ইচ্ছায় পরিচালিত হবে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম হলে বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অন্য একটি দেশের কাছে জিম্মি ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এটিই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি বলে তিনি মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।

পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, জাতীয় স্বার্থ এবং মর্যাদা—এগুলোই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামল ছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এক সোনালি অধ্যায়, যেখানে এই নীতিগুলোই প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। সেই সময়ে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছিলেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশ আবার সেই গৌরবময় অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে চারজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে জানান।