মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ১১ দিনে মোট ৩৬৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে মঙ্গলবারই বাতিল হয়েছে ৩২টি। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিস্থিতির কারণে গত ১০ দিনে মোট ৩৩৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। রবিবার ২৬টি, সোমবার ৩৩টি এবং মঙ্গলবার ৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়। মঙ্গলবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ, ইউএই) ৪টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজ (কাতার) ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনস (ইউএই) ৪টি, জাজিরা (কুয়েত) ৪টি, ফ্লাইদুবাই (ইউএই) ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স (বাংলাদেশ) ৩টি ফ্লাইট ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এই পরিস্থিতির কারণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস আগামী ১৩ মার্চ থেকে শারজাহ এবং ১৪ মার্চ থেকে আবুধাবি রুটে পুনরায় ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে। ইউএস-বাংলা মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় অনিশ্চিত সময় পার করছেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ফিরতে পারবেন কিনা তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। সকল অনিশ্চয়তা দূর করতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে চারদিন (শুক্র, রবি, মঙ্গল ও বুধবার) ঢাকা থেকে শারজাহ এবং ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে তিনদিন (শনি, সোম ও বৃহস্পতিবার) ঢাকা থেকে আবুধাবি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
রিপোর্টারের নাম 
























