ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল কেবল মাঠের রোমাঞ্চকর লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং দর্শকদের জন্য থাকে বর্ণাঢ্য বিনোদনেরও আয়োজন। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হাফটাইম শোতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় দর্শকরা আপ্লুত হন। শাকিরা, ম্যাডোনা, জাস্টিন বিবার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস-এর পারফরম্যান্স বিরতির সময়টিকে আরও রঙিন করে তোলে।
তবে, এবারের বিশ্বকাপের বিরতি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে দীর্ঘ হাফটাইম অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ২৭ মিনিট ২২ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের বিরতি সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট হওয়ার কথা। এই দীর্ঘ বিরতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
হাফটাইম শোর সূচনায় মঞ্চে উপস্থিত হন পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। তার জনপ্রিয় গান পরিবেশনার সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো ও রোনালদিনহো। এরপর দর্শকদের মন জয় করেন কলম্বিয়ার তারকা শাকিরা। নাইজেরিয়ার সংগীতশিল্পী বার্না বয়ের সঙ্গে যৌথভাবে তারা তাদের জনপ্রিয় গান ‘দাই দাই’ পরিবেশন করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও তারা একসঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন।
প্রায় তিন বছর পর পূর্ণাঙ্গ দল হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিরে আসে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। বাধ্যতামূলক সামরিক দায়িত্ব শেষে এটি ছিল তাদের অন্যতম বড় বৈশ্বিক পরিবেশনা। অন্যদিকে, গিটার হাতে মঞ্চে উঠে নিজের জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসান জাস্টিন বিবার।
ফাইনাল শুরুর আগে সমাপনী আয়োজনে অংশ নেন জেনিফার হাডসন, রবি উইলিয়ামস, নিকোল শেরজিঙ্গার, লরা পাউসিনি, পোস্ট ম্যালোন ও সোয়ে লি। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন জেনিফার হাডসন। এরপর অভিনেতা টম ক্রুজ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ফুটবলকে বিশ্বজুড়ে মানুষের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।
ফাইনাল দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা। গ্যালারিতে দেখা যায় বিয়ন্সে ও জে-জি, কাইলি জেনার ও টিমোথি শ্যালামে, ডেভিড ও ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম, আনিয়া টেইলর-জয়সহ আরও অনেককে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
তবে, হাফটাইম শো নিয়ে প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনাও হয়েছে। বিবিসির ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েন রুনী এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























