ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

ঈদযাত্রায় জ্বালানি রেশনিং: ভোগান্তি ও ভাড়া নৈরাজ্যের আশঙ্কায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আসন্ন ঈদযাত্রায় জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্ধারিত সীমা যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ানোর পাশাপাশি গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের নির্ধারিত সীমা দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে এবং অনেক সময় তা যাত্রীদের হয়রানির কারণ হতে পারে।

গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে। নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে।

এছাড়া, ডিজেলচালিত পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ঈদ মৌসুমে যথেষ্ট নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূলের বিদায়ে ১৫ বছরের ‘জটা’ বিসর্জন দিলেন বিজেপি সমর্থক বানেশ্বর

ঈদযাত্রায় জ্বালানি রেশনিং: ভোগান্তি ও ভাড়া নৈরাজ্যের আশঙ্কায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আপডেট সময় : ০১:৪২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আসন্ন ঈদযাত্রায় জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্ধারিত সীমা যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ানোর পাশাপাশি গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের নির্ধারিত সীমা দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে এবং অনেক সময় তা যাত্রীদের হয়রানির কারণ হতে পারে।

গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে। নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে।

এছাড়া, ডিজেলচালিত পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ঈদ মৌসুমে যথেষ্ট নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।