ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের আস্থার মর্যাদা দিতে সরকার কাজ করছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে সচেষ্ট।

মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এক মাসেরও কম সময়ে সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে সহায়ক প্রতিশ্রুতিগুলো ধীরে ধীরে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্রও সরে আসেনি, যদিও ক্ষেত্রবিশেষে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, দেশের বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। প্রতিটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয় করে তাদের হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য যাচাই করে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া, ওয়ার্ড কমিটিগুলো সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান এবং ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রীর (যেমন টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি) বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে ৮ এপিবিএনের কঠোর অবস্থান

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের আস্থার মর্যাদা দিতে সরকার কাজ করছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে সচেষ্ট।

মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এক মাসেরও কম সময়ে সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে সহায়ক প্রতিশ্রুতিগুলো ধীরে ধীরে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্রও সরে আসেনি, যদিও ক্ষেত্রবিশেষে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, দেশের বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। প্রতিটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয় করে তাদের হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার তথ্য যাচাই করে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া, ওয়ার্ড কমিটিগুলো সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান এবং ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রীর (যেমন টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি) বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।