ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

নারী প্রধান পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: ৩৭৫৬৭ পরিবার পাচ্ছেন ভাতা

পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। সোমবার সচিবালয়ের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক মানের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে কোনো প্রকার দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জনের লক্ষ্যে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের এই যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আগামীকাল (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানীস্থ টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। মন্ত্রী আরও জানান, পাইলটিং কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি সিটি কর্পোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭৮৫৪ টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক মান নির্ণয় করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১৮০৫টি খানার (Household) মধ্যে ৪৭৭৭৭টি খানা সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণ বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের নীল জলরাশিতে পুরনো স্মৃতিতে ডুব দিলেন প্রভা

নারী প্রধান পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: ৩৭৫৬৭ পরিবার পাচ্ছেন ভাতা

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। সোমবার সচিবালয়ের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক মানের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে কোনো প্রকার দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জনের লক্ষ্যে সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের এই যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আগামীকাল (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানীস্থ টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। মন্ত্রী আরও জানান, পাইলটিং কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি সিটি কর্পোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭৮৫৪ টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক মান নির্ণয় করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১৮০৫টি খানার (Household) মধ্যে ৪৭৭৭৭টি খানা সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণ বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।