বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বড় ধরনের অনিয়ম ও মনোনয়নপত্র বিতরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন সমিতির সাবেক সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কাজী মুনিরুল হাসান। তিনি এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত নির্বাচন প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।
রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাজী মুনিরুল হাসান এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রায় ১৪৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি একটি অরাজনৈতিক পেশাজীবী সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় নির্ধারিত ছিল। কাজী মুনিরুল হাসান দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে যান। কিন্তু তাকে ফরম দেওয়া হয়নি এবং নির্বাচন কর্মকর্তারা স্থান ত্যাগ করেন। এতে উপস্থিত অনেক আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে স্লোগান দেন। তিনি আরও জানান, বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো চেষ্টা করেও তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহে ব্যর্থ হন।
কাজী মুনিরুল হাসান অভিযোগ করেন, গত বছরের নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। যেখানে সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে একটি পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ওঠা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে।
তিনি দ্রুত পুনঃতফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার আহ্বান জানান। এ সময় আওয়ামীপন্থি আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু, আনোয়ার হোসেন মিজান, মাইনুদ্দিন দীপ্তি, ইকবাল আজাদ, গোলাম ফারুক ডাবলু, সজল মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























