একসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। গ্যাস সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন দাউদকান্দি আমিরাবাদ হাইওয়ে থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
সেদিন ভোর থেকেই মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে দাউদকান্দি থেকে গৌরীপুর পর্যন্ত ব্যাপক যানজট দেখা যায়। এতে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালক এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেসময় এলাকায় কয়েকটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় গৌরীপুরের একটি স্টেশনে বিপুলসংখ্যক যানবাহন গ্যাস নিতে ভিড় করে। মহাসড়কের এক পাশজুড়ে গ্যাসের জন্য অপেক্ষমাণ যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একজন লরিচালক সেসময় জানিয়েছিলেন, তিনি এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গৌরীপুর এলাকায় আটকে ছিলেন। ভোর থেকে চট্টগ্রাম থেকে মালামাল আনতে রওনা দিয়েও গৌরীপুর এলাকা পার হতে পারেননি।
কুমিল্লা আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার একটি পাম্প ম্যানেজার তখন বলেছিলেন, সেসময় রাত থেকেই পাম্পগুলোতে গ্যাসের চাপ খুবই কম ছিল। কয়েকটি পাম্প বন্ধ থাকায় যেসব পাম্প খোলা ছিল সেগুলোতে গাড়ির তীব্র চাপ দেখা গিয়েছিল। গ্যাসের চাপ কম থাকায় এই যানজট সৃষ্টি হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দাউদকান্দি আমিরাবাদ হাইওয়ে থানার তৎকালীন ওসি জানিয়েছিলেন, ভোর থেকে বৃষ্টি এবং গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামমুখী লেনে যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। যানজট নিরসনে একটি টিম কাজ করছিল এবং গ্যাস পাম্পে অপেক্ষমাণ যানবাহনের সারি মহাসড়কের কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় যানবাহনের চাপ বেড়ে গিয়েছিল, যার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 























