মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়সারাভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আয়োজিত কর্মসূচি নিয়ে দায়সারাভাবের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি আলোকসজ্জা, ফিস্ট মিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজন ছিল না।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি র‍্যালির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও তাবারুক বিতরণের আয়োজন করা হয়।

তবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ দিবসে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোকসজ্জা, শিক্ষার্থীদের জন্য ফিস্ট মিল, সাংস্কৃতিক আয়োজন কিংবা অংশগ্রহণমূলক কোনো কর্মসূচি না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন অনেক শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, মসজিদে তাবারুক বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই তাবারুক পাননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান রাফাত বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিন। দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই দিবসটি উপলক্ষে আলোকসজ্জা, ফিস্ট, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও বিভিন্ন স্মারক কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক পরিসরে উদযাপন করা হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ধরনের কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। সীমিত পরিসরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যেই দিবসটি শেষ হয়েছে। একটি ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন প্রত্যাশা করেছিলাম।”

আরেক শিক্ষার্থী মো. ইকবাল বলেন, “দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পরিসরের কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও তাবারুক বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, পর্যাপ্ত তাবারুকের ব্যবস্থা না থাকায় স

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘খবরের পাতায় গণঅভ্যুত্থান ২৪’ : নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরতে ফটো এক্সিবিশন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়সারাভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আয়োজিত কর্মসূচি নিয়ে দায়সারাভাবের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি আলোকসজ্জা, ফিস্ট মিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজন ছিল না।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি র‍্যালির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও তাবারুক বিতরণের আয়োজন করা হয়।

তবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ দিবসে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোকসজ্জা, শিক্ষার্থীদের জন্য ফিস্ট মিল, সাংস্কৃতিক আয়োজন কিংবা অংশগ্রহণমূলক কোনো কর্মসূচি না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন অনেক শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, মসজিদে তাবারুক বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই তাবারুক পাননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান রাফাত বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিন। দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই দিবসটি উপলক্ষে আলোকসজ্জা, ফিস্ট, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও বিভিন্ন স্মারক কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক পরিসরে উদযাপন করা হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ধরনের কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। সীমিত পরিসরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যেই দিবসটি শেষ হয়েছে। একটি ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন প্রত্যাশা করেছিলাম।”

আরেক শিক্ষার্থী মো. ইকবাল বলেন, “দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পরিসরের কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও তাবারুক বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, পর্যাপ্ত তাবারুকের ব্যবস্থা না থাকায় স