ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

বাবুগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ ৩ গরু ও ২১ ছাগল পুড়ে ছাই

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের শিলন্দিয়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে প্রাণ হারিয়েছে ৩টি গরুসহ অন্তত ২১টি ছাগল। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ লাখ টাকা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মুজাম্মেল হকের বসতঘরে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর, রান্নাঘর ও গবাদিপশুর ঘরে।

আগুনে পরিবারের রুটিরুজির একমাত্র অবলম্বন গবাদিপশু রক্ষা পায়নি। ঘটনাস্থলেই ৩টি গরু ও অন্তত ২১টি ছাগল পুড়ে মারা যায়। এতে পরিবারটি এক রাতেই সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে জানানো হলেও গ্রামের ভেতরের রাস্তা ভাঙা ও সংকীর্ণ হওয়ায় তাদের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রাথমিক সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বসতঘর ও জীবিকা নির্বাহের জন্য পালন করা গবাদি পশু হারিয়ে মুজাম্মেল হকের পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল পেঁয়াজ চাষ: বাম্পার ফলনের আশা থাকলেও উৎপাদন খরচ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

বাবুগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ ৩ গরু ও ২১ ছাগল পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ০১:০০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের শিলন্দিয়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে প্রাণ হারিয়েছে ৩টি গরুসহ অন্তত ২১টি ছাগল। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ লাখ টাকা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মুজাম্মেল হকের বসতঘরে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর, রান্নাঘর ও গবাদিপশুর ঘরে।

আগুনে পরিবারের রুটিরুজির একমাত্র অবলম্বন গবাদিপশু রক্ষা পায়নি। ঘটনাস্থলেই ৩টি গরু ও অন্তত ২১টি ছাগল পুড়ে মারা যায়। এতে পরিবারটি এক রাতেই সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে জানানো হলেও গ্রামের ভেতরের রাস্তা ভাঙা ও সংকীর্ণ হওয়ায় তাদের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রাথমিক সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বসতঘর ও জীবিকা নির্বাহের জন্য পালন করা গবাদি পশু হারিয়ে মুজাম্মেল হকের পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।