মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একজন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইরানের অভ্যন্তরে ‘ব্যাপক’ হামলা চালানোর প্রক্রিয়া চালু থাকবে। বর্তমানে এই হামলাগুলো ইরানের অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে যে, তারা ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখবে। ফারস নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আলজাজিরা এ খবর নিশ্চিত করেছে।
এই সংঘাতের সূত্রপাত শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার মাধ্যমে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং জর্ডানের মতো দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। অপর একটি ঘটনায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে রকেটের অবশিষ্টাংশ পড়ে একজন ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 





















