মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টা-পাল্টি হামলার জেরে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, যেখানে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান যেমন রয়েছে, তেমনি উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শও।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে ইরানের দমনমূলক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। প্রেসিডেন্ট লিয়েন সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। একই সাথে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার উপর জোর দেন তিনি।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এই সংঘাত নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের বেসামরিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, উত্তেজনা প্রশমনে তিনি মিত্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ তার দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, অস্ট্রেলিয়া সকল প্রকার নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে। তিনি আরও জানান, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ করতে না পারে, সেই প্রচেষ্টায় তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করবে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছে। মস্কো মনে করে, এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রাশিয়া এই সমস্যার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমাধানের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে।
রিপোর্টারের নাম 




















