ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সিরাজুল ইসলাম শামস (৮) নামের এক শিশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ী (ডাঙ্গাপাড়া) গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সিরাজুল ইসলাম শামস ওই গ্রামের মমিনুল ইসলাম ওরফে মনু মিয়ার ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শামসের চাচাতো ভাই আমিনুর রহমান তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় পার হলেও শিশুটি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি মাদ্রাসার সামনের ভুট্টাক্ষেতে শামসকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। দ্রুত উদ্ধার করে তাকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, শিশুটির শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কুপিয়ে হত্যার পর নির্জন ওই ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফুলবাড়ী থানা পুলিশের সহায়তায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অমর একুশে বইমেলায় গানের সুরে দেশপ্রেমের বন্দনা: মেতেছে নতুন প্রজন্ম

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:২০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সিরাজুল ইসলাম শামস (৮) নামের এক শিশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ী (ডাঙ্গাপাড়া) গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সিরাজুল ইসলাম শামস ওই গ্রামের মমিনুল ইসলাম ওরফে মনু মিয়ার ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শামসের চাচাতো ভাই আমিনুর রহমান তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় পার হলেও শিশুটি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি মাদ্রাসার সামনের ভুট্টাক্ষেতে শামসকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। দ্রুত উদ্ধার করে তাকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, শিশুটির শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কুপিয়ে হত্যার পর নির্জন ওই ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফুলবাড়ী থানা পুলিশের সহায়তায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।