ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বায়তুল মোকাররম এলাকায় ওবায়দুল্লাহর খণ্ডিত হাত-পা উদ্ধার, মরদেহের বাকি অংশের খোঁজে পুলিশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা বায়তুল মোকাররম ও এর আশপাশ থেকে এক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন দুটি হাত ও একটি পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত দেহাংশগুলো ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির। এই নৃশংস ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে বর্তমানে তৎপরতা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ২টার দিকে জাতীয় স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে প্রথমে একটি বিচ্ছিন্ন পা উদ্ধার করা হয়। এর রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ গেটের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় বিচ্ছিন্ন দুটি হাত। জনবহুল এলাকায় এভাবে দেহাংশ পড়ে থাকতে দেখে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান গণমাধ্যমকে জানান, বিচ্ছিন্ন হাতগুলো উদ্ধারের পর সেগুলোর আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংগৃহীত ছাপ মিলিয়ে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতের নাম ওবায়দুল্লাহ এবং তার বাড়ি নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত হাত ও পা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওবায়দুল্লাহকে কোথায় এবং কেন হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি তার শরীরের বাকি অংশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক আলামত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অপরাধীরা হত্যাকাণ্ড শেষে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে শরীরের অংশগুলো বিভিন্ন স্থানে ফেলে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ‘বেপরোয়া’, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ: ব্রিটিশ এমপি

বায়তুল মোকাররম এলাকায় ওবায়দুল্লাহর খণ্ডিত হাত-পা উদ্ধার, মরদেহের বাকি অংশের খোঁজে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা বায়তুল মোকাররম ও এর আশপাশ থেকে এক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন দুটি হাত ও একটি পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত দেহাংশগুলো ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির। এই নৃশংস ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে বর্তমানে তৎপরতা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ২টার দিকে জাতীয় স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে প্রথমে একটি বিচ্ছিন্ন পা উদ্ধার করা হয়। এর রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ গেটের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় বিচ্ছিন্ন দুটি হাত। জনবহুল এলাকায় এভাবে দেহাংশ পড়ে থাকতে দেখে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান গণমাধ্যমকে জানান, বিচ্ছিন্ন হাতগুলো উদ্ধারের পর সেগুলোর আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংগৃহীত ছাপ মিলিয়ে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতের নাম ওবায়দুল্লাহ এবং তার বাড়ি নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত হাত ও পা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওবায়দুল্লাহকে কোথায় এবং কেন হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি তার শরীরের বাকি অংশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক আলামত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অপরাধীরা হত্যাকাণ্ড শেষে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে শরীরের অংশগুলো বিভিন্ন স্থানে ফেলে গেছে।