কক্সবাজার শহরের পর্যটন এলাকা কলাতলীতে একটি এলপিজি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ছয়জনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধদের শরীরের ২০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে, যা তাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই ছয় ব্যক্তি হলেন— আবু তাহের, মো. সিরাজ, আবদুর রহিম, মো. সাকিব, মোতাহের হোসেন ও আবুল কাশেম। হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ এস খালেদ জানান, দগ্ধ প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় কলাতলী এলাকার ওই এলপিজি পাম্পের একটি গ্যাস ট্যাংক থেকে লিকেজের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে পাম্পের কর্মীরা বালু ও পানি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ বিকট শব্দে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পাম্পে কর্মরত ও আশেপাশে থাকা অন্তত ১০ জন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এর আগে গত সোমবার ভোরে চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় একটি ছয়তলা ভবনের ফ্ল্যাটে গ্যাস বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় ইতোমধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বাকি চারজন বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। চিকিৎসকদের মতে, হালিশহরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন বাকি চারজনের অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
রিপোর্টারের নাম 























