ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবীনগরে মেঘনা নদীর তীর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে নরসিংদীর রায়পুরার এক সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার ধরাভাঙ্গা গ্রামের ‘এমপি টিলা’ নামক স্থান থেকে নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম আমীর হোসেন (৪০)। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য এবং দিগল্যাকান্দি (বদলবাড়ি) গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আমীর হোসেন সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। পরিবারের দাবি, পথিমধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে মেঘনা নদীর নির্জন এলাকায় নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে স্বজনরা নবীনগর থানায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মরদেহের মাথা, হাত, পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের গুরুতর চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ওসি আরও জানান, নিহত আমীর হোসেনের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নবীনগরে মেঘনা নদীর তীর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে নরসিংদীর রায়পুরার এক সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার ধরাভাঙ্গা গ্রামের ‘এমপি টিলা’ নামক স্থান থেকে নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম আমীর হোসেন (৪০)। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য এবং দিগল্যাকান্দি (বদলবাড়ি) গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আমীর হোসেন সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। পরিবারের দাবি, পথিমধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে মেঘনা নদীর নির্জন এলাকায় নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে স্বজনরা নবীনগর থানায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মরদেহের মাথা, হাত, পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের গুরুতর চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ওসি আরও জানান, নিহত আমীর হোসেনের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।