ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা নেই ইরানের: প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার দেশ কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের পক্ষে নয়। তেহরানের এই অবস্থানকে নীতিগত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সব ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহারকে ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ করেছেন। ফলে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। আন্তর্জাতিক মহলে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই তিনি দেশের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের শুরুর দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি একটি বিশেষ ধর্মীয় ডিক্রি বা ফতোয়া জারি করেছিলেন। ওই ফতোয়ায় পারমাণবিক অস্ত্রসহ সব ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি ও মজুত করাকে ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান মূলত সেই ধর্মীয় অনুশাসনের কথা উল্লেখ করেই বিশ্ববাসীকে আশ্বস্ত করতে চেয়েছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশেই পরিচালিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে নির্মাণাধীন ভবনে মালামাল পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা নেই ইরানের: প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

আপডেট সময় : ০২:১৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার দেশ কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের পক্ষে নয়। তেহরানের এই অবস্থানকে নীতিগত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সব ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহারকে ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ করেছেন। ফলে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। আন্তর্জাতিক মহলে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই তিনি দেশের অবস্থান পরিষ্কার করলেন।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের শুরুর দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি একটি বিশেষ ধর্মীয় ডিক্রি বা ফতোয়া জারি করেছিলেন। ওই ফতোয়ায় পারমাণবিক অস্ত্রসহ সব ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি ও মজুত করাকে ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান মূলত সেই ধর্মীয় অনুশাসনের কথা উল্লেখ করেই বিশ্ববাসীকে আশ্বস্ত করতে চেয়েছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশেই পরিচালিত হচ্ছে।