ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনীতে খাদ্যবান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে যুবদল নেতা ও গ্রাম পুলিশের মারামারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ফেনীতে খাদ্যবান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে যুবদল নেতা ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মতিগঞ্জ ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য ৮৮টি কার্ড বরাদ্দ হয়। উক্ত কার্ডগুলো তালিকা প্রস্তুতের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস আক্তার স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছে প্রেরণ করেন।

বিতরণ তালিকায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ রাকিব দুইজন হতদরিদ্র নামের তালিকাভুক্ত করেন। এ নিয়ে যুবদল নেতা এমরান চৌধুরী গ্রাম পুলিশ রাকিবের কাছে কৈফিয়ত চাইলে দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় গ্রাম পুলিশ রাকিবের হাতে এবং এমরান চৌধুরীর মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়।

স্থানীয়রা জানান, শ্রমিক দল নেতা রাকিব সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশের চাকরি পেয়েছেন। সে ইউনিয়নের ভাদাদিয়া ৭ নাম্বার ওয়ার্ডকের দায়িত্বে রয়েছেন।

মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নার্গিস আক্তার বলেন, শুনেছি দুইজনের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা বিষয়টি শুনেছেন বলে আমার দেশকে জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভানের ঐতিহাসিক অভিষেক

ফেনীতে খাদ্যবান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে যুবদল নেতা ও গ্রাম পুলিশের মারামারি

আপডেট সময় : ১১:৫০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনীতে খাদ্যবান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে যুবদল নেতা ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মতিগঞ্জ ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য ৮৮টি কার্ড বরাদ্দ হয়। উক্ত কার্ডগুলো তালিকা প্রস্তুতের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস আক্তার স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছে প্রেরণ করেন।

বিতরণ তালিকায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ রাকিব দুইজন হতদরিদ্র নামের তালিকাভুক্ত করেন। এ নিয়ে যুবদল নেতা এমরান চৌধুরী গ্রাম পুলিশ রাকিবের কাছে কৈফিয়ত চাইলে দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় গ্রাম পুলিশ রাকিবের হাতে এবং এমরান চৌধুরীর মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়।

স্থানীয়রা জানান, শ্রমিক দল নেতা রাকিব সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশের চাকরি পেয়েছেন। সে ইউনিয়নের ভাদাদিয়া ৭ নাম্বার ওয়ার্ডকের দায়িত্বে রয়েছেন।

মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নার্গিস আক্তার বলেন, শুনেছি দুইজনের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা বিষয়টি শুনেছেন বলে আমার দেশকে জানিয়েছেন।