থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত অধরাই রয়ে গেল বাংলাদেশের। ফাইনালে শক্তিশালী ভারতের কাছে ৪৬ রানে হেরে রানার্সআপ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ফাহিমা খাতুনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। এই হার নিঃসন্দেহে হতাশাজনক হলেও, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সামগ্রিক পারফরম্যান্স ছিল উজ্জ্বল।
১৩৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ শুরুটা মোটামুটি ভালো করলেও, পরবর্তীতে ধারাবাহিকতার অভাব দেখা যায়। পাওয়ার প্লেতে এক উইকেট হারিয়ে ৩৬ রান সংগ্রহ করলেও, এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের মুখে পড়ে দলটি। শেষ পর্যন্ত সকল উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৮ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। দলের হয়ে ওপেনার শামিমা সুলতানা সর্বোচ্চ ২০ রান করেন। এছাড়া শারমিন সুলতানা ১৮, অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন ১৪ এবং সাদিয়া আক্তার ১০ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তবে বাকি ব্যাটাররা দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।
ভারতের পক্ষে প্রেমা রাওয়াট তিনটি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসে মূল ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সোনিয়া ও তানুজা দুটি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে বাংলাদেশের বোলারদের দাপটে শুরুতেই চাপে পড়ে তারা। ৪৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ভারত। সেই বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক রাধা যাদব এবং তেজাল হাসাবনিস। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। রাধা যাদব ৩৬ রান করলেও, তেজাল হাসাবনিস ৩৪ বলে অপরাজিত ৫১ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যা ভারতের সংগ্রহকে একটি সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দেয়। এছাড়া দিনেশ ভ্রিন্দা ১৯ রান যোগ করেন।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন, যিনি একাই চারটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া আরও দুই বোলার একটি করে উইকেট লাভ করে ভারতীয় ব্যাটিংকে চেপে ধরার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি।
—
রিপোর্টারের নাম 
























