আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খেলাধুলাকে অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি’ বা ক্রীড়া কূটনীতিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দেশের উপস্থিতি আরও জোরালো করতে দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে ক্রীড়া বিনিময় কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, খেলাধুলাকে কেবল মাঠের লড়াই হিসেবে নয়, বরং একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয়টি এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন ও কূটনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ মেলবন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
রিপোর্টারের নাম 























