ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফুটবল ইতিহাসে অবিশ্বাস্য এক রূপকথা: ৮২ ম্যাচের সবকটিতেই জয় আরকাদাগের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল বিশ্বে ‘অপরাজেয়’ শব্দটির সাথে আমরা সাধারণত সেই দলগুলোকে মেলাই, যারা পুরো একটি মৌসুমে কোনো ম্যাচ না হেরে শিরোপা জেতে। কিন্তু তুর্কমেনিস্তানের ক্লাব ‘এফকে আরকাদাগ’ যেন এই সংজ্ঞাকেই বদলে দিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরু করা এই ক্লাবটি লিগের ময়দানে এখন পর্যন্ত কোনো পয়েন্ট তো হারায়ইনি, বরং নিজেদের খেলা প্রতিটি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত খেলা ৮২টি ম্যাচের সবকটিতেই শেষ হাসি হেসেছে এই ক্লাবটি।

তুর্কমেনিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট গুরবানগুলি বেরদিমুহামেদভের সম্মানসূচক উপাধি ‘আরকাদাগ’ থেকে ক্লাবটির নামকরণ করা হয়েছে। দেশের সেরা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত এই ‘ড্রিম টিম’ মূলত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি শক্তিশালী প্রকল্প। কেবল ঘরোয়া লিগেই নয়, কাপ ফুটবলেও তাদের আধিপত্য একচ্ছত্র। ঘরোয়া কাপের ১৪টি ম্যাচের সবকটিতে জিতে তারা ইতিমধ্যে তিনটি তুর্কমেনিস্তান কাপ ও দুটি সুপার কাপ নিজেদের শোকেসে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে আরকাদাগ। ২০২৪-২৫ মৌসুমের এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অংশ নিয়ে তারা এশিয়ান ফুটবলের নজর কেড়েছে। যদিও কুয়েতের ক্লাব আল আরাবির কাছে হেরে তাদের টানা ৬১ ম্যাচের জয়ের জয়রথ কিছুটা থমকে গিয়েছিল, তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে প্রথমবার অংশ নিয়েই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করে তারা ইতিহাস গড়েছে।

মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে একটি নতুন ক্লাবের এমন উল্কাসম উত্থান ফুটবল বিশ্বে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। ফুটবলীয় দক্ষতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শক্তির প্রভাব ও সেরা খেলোয়াড়দের সমাহার আরকাদাগকে এক অজেয় শক্তিতে পরিণত করেছে, যা সমসাময়িক ফুটবলে বিরল এক দৃষ্টান্ত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে রক্তাক্ত ৪৮ ঘণ্টা: সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন নিহত

ফুটবল ইতিহাসে অবিশ্বাস্য এক রূপকথা: ৮২ ম্যাচের সবকটিতেই জয় আরকাদাগের

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফুটবল বিশ্বে ‘অপরাজেয়’ শব্দটির সাথে আমরা সাধারণত সেই দলগুলোকে মেলাই, যারা পুরো একটি মৌসুমে কোনো ম্যাচ না হেরে শিরোপা জেতে। কিন্তু তুর্কমেনিস্তানের ক্লাব ‘এফকে আরকাদাগ’ যেন এই সংজ্ঞাকেই বদলে দিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরু করা এই ক্লাবটি লিগের ময়দানে এখন পর্যন্ত কোনো পয়েন্ট তো হারায়ইনি, বরং নিজেদের খেলা প্রতিটি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত খেলা ৮২টি ম্যাচের সবকটিতেই শেষ হাসি হেসেছে এই ক্লাবটি।

তুর্কমেনিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট গুরবানগুলি বেরদিমুহামেদভের সম্মানসূচক উপাধি ‘আরকাদাগ’ থেকে ক্লাবটির নামকরণ করা হয়েছে। দেশের সেরা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত এই ‘ড্রিম টিম’ মূলত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি শক্তিশালী প্রকল্প। কেবল ঘরোয়া লিগেই নয়, কাপ ফুটবলেও তাদের আধিপত্য একচ্ছত্র। ঘরোয়া কাপের ১৪টি ম্যাচের সবকটিতে জিতে তারা ইতিমধ্যে তিনটি তুর্কমেনিস্তান কাপ ও দুটি সুপার কাপ নিজেদের শোকেসে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে আরকাদাগ। ২০২৪-২৫ মৌসুমের এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে অংশ নিয়ে তারা এশিয়ান ফুটবলের নজর কেড়েছে। যদিও কুয়েতের ক্লাব আল আরাবির কাছে হেরে তাদের টানা ৬১ ম্যাচের জয়ের জয়রথ কিছুটা থমকে গিয়েছিল, তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে প্রথমবার অংশ নিয়েই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করে তারা ইতিহাস গড়েছে।

মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে একটি নতুন ক্লাবের এমন উল্কাসম উত্থান ফুটবল বিশ্বে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। ফুটবলীয় দক্ষতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শক্তির প্রভাব ও সেরা খেলোয়াড়দের সমাহার আরকাদাগকে এক অজেয় শক্তিতে পরিণত করেছে, যা সমসাময়িক ফুটবলে বিরল এক দৃষ্টান্ত।