ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নাগরিকদের চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা যেকোনো ধরনের সমস্যা সরাসরি জানানোর জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট চালু করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও এই আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার নির্বাচনী এলাকার যেকোনো অপরাধ বা সমস্যার তথ্য এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি তার কাছে পৌঁছানো যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নাগরিকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল লেখেন, “ঠাকুরগাঁও-১ এর যেকোনো এলাকায় যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, অন্যায়, অপরাধ বা যে-কোনো সমস্যার কথা সরাসরি আমাকে আমার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানান।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত ৭ জানুয়ারি ওয়েবসাইটটি উদ্বোধনের পর থেকেই বিপুল সাড়া মিলেছে। ইতোমধ্যে অনেক অভিযোগ ও বার্তা জমা পড়েছে, যা তার টিম যাচাই-বাছাই ও সংকলন করছে। খুব শিগগিরই প্রতিটি বার্তার জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “চাঁদাবাজির ভয়ে অনেক সময় প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারি না। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি জানাতে পারলে অন্তত একটা ভরসা পাওয়া যায়। যদি সত্যিই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে এটা বড় পরিবর্তন হবে।”
রোকসানা বেগম নামে একজন শিক্ষক এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধি সরাসরি অভিযোগ শোনার প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন, এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। মানুষ যেন নিরাপদে অভিযোগ জানাতে পারে, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
আব্দুল কাদের নামে এক যুবক এই অনলাইন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, “অনলাইনে অভিযোগ নেওয়া সময়ের দাবি। তবে শুধু মেসেজ নিলেই হবে না, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। মানুষ ফলাফল দেখতে চায়।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনেক সময় স্থানীয়ভাবে কথা বললে সমস্যা আরও বাড়ে। ওয়েবসাইট থাকলে অন্তত উপরে জানানো যায়। আমরা চাই, অভিযোগ দিলে যেন পরিচয় গোপন রাখা হয়।” এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচয় গোপন রেখে অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় নাগরিকরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
রিপোর্টারের নাম 























