ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

বান্দরবানে ৭৭ লাখ টাকার জলবায়ু প্রকল্প তছনছ: নেপথ্যে ভয়াবহ দুর্নীতি

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সুপেয় পানির সংকট দূর করতে নেওয়া ‘লজিক’ প্রকল্পটি উদ্বোধনের কয়েক মাস না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে নির্মিত এই সৌরচালিত পানি শোধনাগারটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সামান্য ঝড়ো হাওয়ায় ৭৭ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় প্রকল্পের নির্মাণকাজ নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডির এই প্রকল্পের কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার হাতবদল করার ফলে বাজেটের বড় একটি অংশ কমিশন বাণিজ্যে খরচ হয়েছে। ফলে অবকাঠামো নির্মাণে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ কিনারায় সিমেন্টের নড়বড়ে খুঁটি দিয়ে সোলার প্যানেল বসানোয় এটি স্থায়িত্ব পায়নি।

ম্রো জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা আক্ষেপ করে জানান, পানির কষ্ট দূর করার যে স্বপ্ন তাদের দেখানো হয়েছিল, তা এখন দুর্নীতির কারণে ধূলিসাৎ। পাহাড়ের প্রান্তিক মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের এমন অপচয় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারে অতিবৃষ্টিতে থমকে আছে বোরো ধান সংগ্রহ, বন্যার শঙ্কায় কৃষক

বান্দরবানে ৭৭ লাখ টাকার জলবায়ু প্রকল্প তছনছ: নেপথ্যে ভয়াবহ দুর্নীতি

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সুপেয় পানির সংকট দূর করতে নেওয়া ‘লজিক’ প্রকল্পটি উদ্বোধনের কয়েক মাস না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে নির্মিত এই সৌরচালিত পানি শোধনাগারটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সামান্য ঝড়ো হাওয়ায় ৭৭ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় প্রকল্পের নির্মাণকাজ নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডির এই প্রকল্পের কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার হাতবদল করার ফলে বাজেটের বড় একটি অংশ কমিশন বাণিজ্যে খরচ হয়েছে। ফলে অবকাঠামো নির্মাণে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ কিনারায় সিমেন্টের নড়বড়ে খুঁটি দিয়ে সোলার প্যানেল বসানোয় এটি স্থায়িত্ব পায়নি।

ম্রো জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা আক্ষেপ করে জানান, পানির কষ্ট দূর করার যে স্বপ্ন তাদের দেখানো হয়েছিল, তা এখন দুর্নীতির কারণে ধূলিসাৎ। পাহাড়ের প্রান্তিক মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের এমন অপচয় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।