পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানে সরকার সংলাপ ও সমঝোতার পথেই এগোতে আগ্রহী। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নবনিযুক্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে এই অঞ্চলের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সকল পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে টেকসই সমাধানের জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
মন্ত্রী এ সময় সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। কিন্তু এবার জনগণ তাদের রায় দিয়েছে। আমরা জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণে বদ্ধপরিকর। পার্বত্যাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে যা যা করণীয়, তা করতে সরকার প্রস্তুত।”
দায়িত্ব গ্রহণের অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, তাতে আমি গর্বিত। দল ও সরকারের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে আমি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য।”
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান নবগঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। ১৯৬৩ সালে রাঙামাটি পৌরসভায় জন্মগ্রহণকারী এই মন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন এবং ২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজ পদ থেকে পদত্যাগ করে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বিএনপিতে যোগদানের পর ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
—
রিপোর্টারের নাম 









