নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও আধুনিকীকরণের এক মহাপরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষকে তাদের নিজ জেলা বা বাড়ির কাছাকাছি থেকেই সহজে ও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থল বা ব্যবসায়িক কেন্দ্রে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়া। এর মাধ্যমে শহুরে জীবনের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং জনজীবনের ভোগান্তি লাঘব করাই সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে জানান, এই সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেল, নৌ, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস এবং পারস্পরিক সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা সহ বিভাগীয় শহরগুলোতে যানজট পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। বিভিন্ন স্থানে, অফিস-আদালতে এবং যাতায়াতের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণের এই চরম ভোগান্তি লাঘব না হলে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। রাজধানীতে জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
সরকারের বিশ্বাস, দেশজুড়ে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ করতে পারলে একদিকে যেমন মানুষ শহর-নগর কেন্দ্রিক নির্ভরতা কমিয়ে আসবে, তেমনি পরিবেশগত উন্নতিও সাধিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সাধারণ জনগণের প্রতি কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানানোর আগে সরকার নিজেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপনে বদ্ধপরিকর। তিনি ঘোষণা করেন যে, বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভাতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী, বিএনপি থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট সুবিধাও গ্রহণ করবেন না। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ জনগণের প্রতি সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানোর আগে সরকারের সদিচ্ছা ও দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 









